ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয়জনের ফাঁসি

ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয়জনের ফাঁসি
Spread the love

ডেস্ক রিপোট :২২ নভেম্বর ২০১৭

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য আবু সালেহ মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ মিয়া ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ গাইবান্ধার ছয়জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বুধবার (২২ নভেম্বর) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন।

১ নম্বর অভিযোগে আসামিদের আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ২ ও ৩ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর মামলার শেষ ধাপ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ হওয়ায় রায় ঘোষণা অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই মামলার ছয় আসামির অন্য পাঁচজন হলেন- মো. রুহুল আমিন মঞ্জু (৬১), মো. আব্দুল লতিফ (৬১), আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী (৫৯), মো. নাজমুল হুদা (৬০) ও মো. আব্দুর রহিম মিঞা (৬২)।

রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হায়দার আলী ও ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন এবং আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।

গ্রেফতার লতিফের পক্ষে ছিলেন খন্দকার রেজাউল আলম।

রায়ের পর ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন বলেন, ঘোড়ামারা আজিজ রাজাকার কমান্ডার ছিলেন, এটি রায়ে প্রমাণিত হয়েছে। যে অপরাধ হয়েছে সবগুলো অপরাধে ওনার প্রত্যক্ষভাবে অর্থাৎ তিনি নটোরিয়াস কমান্ডার হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। এর মানে হচ্ছে কুখ্যাত বা ভয়ানক কমান্ডার। এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ঘটনা কেউ বেশি কেউ কম করেছেন। কিন্তু যৌথভাবে পরিকল্পনা করে ঘটনাগুলো ঘটানো হয়েছে। এ কারণে শাস্তি কোনোভাবে কমবে না।

তিনি বলেন, ঘোড়ামারা আজিজ মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছেন। তিনি তার এলাকার অপরাধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তেমনি ২০১৩ সালে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে হরতাল-অবরোধের সময় পুলিশ ক্যাম্পে আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে। তাকে ফাঁসির সাজা দিয়ে ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন এতে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

Share this...
Share on FacebookPrint this pageShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn



Skip to toolbar