বিডিআর হত্যা মামলার আপিলের রায় কাল

বিডিআর হত্যা মামলার আপিলের রায় কাল
Spread the love

এশিয়ানপোস্ট ডেস্ক:

রবিবার বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ১৫২ আসামির মৃত্যুদন্ড অনুমোদন ও আসামিদের আপীলের রায় ঘোষণা করা হবে আগামীকাল রবিবার।

 

৯ নভেম্বর এ মামলা সুপ্রীমকোর্টের ওয়েবসাইটে দৈনন্দিন কার্যাতলিকায় রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। ১৩ এপ্রিল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি ) রাখা হয়। বিচারপতি মোঃ শওকত হোসেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করে।
বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মোঃ আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার। আসামির সংখ্যার দিক দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপীল শুনানির জন্য ২০১৫ সালে এই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করা হয়।

 

এ মামলায় শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরওয়ার কাজল শুনানি করছেন। আসামিপক্ষে রয়েছেন- এ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, এসএম শাহজাহান, এএসএম আবদুল মুবিন, মোঃ আমিনুল ইসলাম, দাউদুর রহমান মিনা, শামীম সরদার প্রমুখ। দ্রুত আপীল শুনানি করার জন্য সুপ্রীমকোর্টের বিশেষ ব্যবস্থায় সর্বমোট ৩৭ হাজার পৃষ্ঠার পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর সদর দফতরের ভেতরে ঐ বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ অন্তত ৭৪ জন নিহত হন।

 

এই বিদ্রোহের পর বিডিআর ভেঙ্গে দিয়ে এই বাহিনী পুর্নগঠন করা হয়। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নতুন নাম রাখা হয় বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার মাত্র দেড় মাসের মাথায় এই বিদ্রোহের ঘটনা সরকারকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল।

 

ঢাকায় আজ এই চাঞ্চল্যকর এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণার সময় আদালতের চারদিকে কয়েক বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নেয়া হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

 

পুরোনো ঢাকার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠ সংলগ্ন এক স্কুল ভবনের বিশাল একটি কক্ষে স্থাপিত বিশেষ আদালতে সকাল হতেই এই মামলায় অভিযুক্তদের আনা হতে থাকে।

 

ওই সময় মামলায় যে ৮৫০ জনকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয় তাদের বেশিরভাগই বিলুপ্ত ঘোষিত বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআরের সদস্য ছিলেন। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় কয়েকজন নেতাও এই মামলার আসামী।

Share this...
Share on FacebookPrint this pageShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn



Skip to toolbar